,

জন্মজয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের আয়োজন

bangabandhu-বঙ্গবন্ধু

অপেক্ষার পালা যেন শেষ হয়েও হচ্ছে না।অনুষ্ঠান শুরু হবার নির্ধারিত সময়ের অনেকটা আগেই চোখ ভর্তি কৌতুহল আর মুখভরা হাসি নিয়েই শিক্ষার্থীরা একে একে হাজির হয় কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায়।শুধু যে নিজের জন্মদিনটিকে ঘিরে পূর্বপ্রস্তুতি, পরিপাটি সাজগোজ বজায় থাকবে এমনটি হতে দিতে নারাজ অদম্য সম্ভাবনাময় এই কচিকাঁচা মুখগুলো।তাই তো জাতির পিতার জন্মদিনকে ঘিরে তাদের সময়ানুবর্তিতা আর কৌতূহলের বিন্দুমাত্রও কমতি ছিল না।

১৭ মার্চ জাতির জনকের ৯৭ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে “বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ-চট্টগ্রাম” শতোর্ধ্ব ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজন করেছিল “গল্পলিখন ও চিত্রাঙ্কন” কর্মশালার।অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল – কাটিরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সেকান্দরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,কাজীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,পশ্চিম ধলই আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ধলই সোনাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনাপর্ব শুরু হয়।এরপরই জাতির জনকের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক ‘শোন,একটি মুজিব ঘরের থেকে…’গানটি পরিবেশন করা হয়।বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী শুভ্রজিত চক্রবর্তীর কন্ঠে পরিবেশন করা এ গানটিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে মিলনায়তন ভর্তি শিক্ষক-শিক্ষার্থী-আয়োজক সহ সকলেই।এরপরই অনুষ্ঠানের মূলপর্বে এসে শুরু হয় কর্মশালা।কর্মশালা পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনিস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক নিত্যানন্দ গাইন।

কর্মশালায় তিনি শিক্ষার্থীদের ছবি আঁকার সহজ বিভিন্ন কলাকৌশল সম্পর্কে ধারণা দেন।প্রত্যেক মানুষই জন্মগতভাবে সৃষ্টিশীল। শুধুমাত্র একজনের জ্যামিতিক ধারণা সুস্পষ্ট হলেই সৃষ্টিশীল একটি চিত্রকর্ম তৈরি করা সম্ভব বলে মনে করেন,রবীন্দ্রভারতী থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে আসা মেধাবী এই শিক্ষক। কর্মশালার সমাপান্তে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিষয়ভিত্তিক গল্পলিখন প্রতিযোগিতা করা হয় এবং এরপরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।



বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের শিল্পী,সুরকার ও গীতিকার মিয়া ফরিদের দরাজ কন্ঠ আবার প্রাণোবন্ত করে তুলে সবাইকে।বিচারকমণ্ডলীর রায়ে প্রতিযোগিদের মধ্য থেকে সেরা পাঁচ জনকে বাছাই করা হয়। অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরণী অংশে গল্পলিখন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হয় এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মকছুদ আহমেদ সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানটিতে সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকেন মোহাম্মদ মুজিবুল হক, মিজানুর রহমান, আকিব আহমদ, মুইজউদ্দিন মুহিত। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে বঙ্গবন্ধু’র স্নেহধন্য জামাতা পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

পোস্টটি ফেসবুক এ শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ দিন। আপনার প্রয়োজনীয় সব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে প্রয়োজন২৪.কম পেইজ এ লাইক দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকুন।

Share Button