,

দেশে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত : রাষ্ট্রপতি

Presidents_CUET_রাষ্ট্রপতি

২০৫০ সাল বা ২১০০ সালে বাংলাদেশের উন্নয়ন কেমন হওয়া উচিত বা বাংলাদেশের অবস্থান কোন স্তরে পৌঁছাবে তা বিবেচনায় রেখেই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ। এসময় তিনি উন্নয়ন পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকেও যথাযথভাবে গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন। গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তৃতীয় সমার্বতন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চুয়েটের কেন্দ্রীয় মাঠে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।

অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে বিপুল মানব সম্পদ, উর্বর কৃষিভূমি এবং সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, জনবহুল এ দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে প্রয়োজন পরিকল্পিত উপায়ে বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার। রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আমাদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমরা আজ স্বাধীনসার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের আত্মমর্যাদা সমুন্নত রাখতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। এসময় তিনি বিষয়টি নবীন প্রকৌশলীরা উপলব্ধি করবে এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তা ও লব্ধ জ্ঞানকে এ লক্ষ্যে কাজে লাগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রকৌশলীরা উন্নয়নের কারিগর। তাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীল চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা। তাই প্রকৌশলীদের চিন্তা ও চেতনায় থাকবে দূরদৃষ্টির সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

নবীন গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, তোমাদের অর্জনে দেশের মানুষের অনেক অবদান রয়েছে। তোমাদেরকে এ পর্যায়ে আসতে দেশবাসী যে সহায়তা করেছে তোমরা তোমাদের মেধা, মনন ও কর্মের মাধ্যমে তা পরিশোধ করবে। কর্মক্ষেত্রে তোমরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকনা কেন; মাতৃভূমি এবং এ দেশের জনগণের কথা কখনো ভুলবে না। এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, জীবন চলার পথে তোমরা আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ সোপান অতিক্রম করলে। জীবনের আসল সংগ্রাম এখন থেকে শুরু হবে। আজকের এ সনদ প্রাপ্তি সেই সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার স্বীকৃতি পত্র। তোমরা তোমাদের সেবা,সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দিয়ে এ সনদের মান সমুজ্জ্বল রাখবে। অন্যায় ও অসত্যের কাছে মাথা নত করবে না। তোমরা বড় হও এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখ।



প্রকৌশলীদের জ্ঞানের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম এবং উন্নত পাঠদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, প্রকৌশল শিক্ষা যদিও হাতে কলমে শিক্ষা, তা সত্ত্বেও এতে সৃজনশীলতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং দেশ বিদেশের সর্বশেষ তথ্য সমৃদ্ধ শিক্ষা, গবেষণা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যাতে শিক্ষার্থীরা সম্পৃক্ত হতে পারে তার দ্বার উন্মোচন করবে বিশ্ববিদ্যালয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে ছাত্রশিক্ষকের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকা আবশ্যক উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জাতি গঠনের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান; যেখানে মেধা বিকাশের সব পথ উন্মুক্ত থাকে। শিক্ষকদের হতে হবে স্নেহপ্রবণ ও অভিভাবকতুল্য।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মধ্যদিয়ে আমাদের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়। বন্ধ হয় মানুষের বাক, মতামত ও চিন্তার স্বাধীনতা। নানা চড়াইউৎরাই পেরিয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে একটি তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সুখীসমৃদ্ধ দেশ গঠনে ‘রূপকল্প ২০২১’ ঘোষণা করেছেন। এ রূপকল্প বাস্তবায়নে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

বিভিন্ন আন্দোলনসংগ্রাম ও নানা চড়াইউৎরাই এর মধ্য দিয়ে জাতির পিতা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান এম এ হান্নান ওইদিন চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। আমাদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এ ঘটনা চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ১৯৬৬ সালে এই চট্টগ্রামের লালদিঘীর মাঠে লক্ষ জনতার সামনে ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করেছিলেন। বাঙালির মুক্তির সনদ হচ্ছে এই ৬ দফা। এসময় বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে চট্টগ্রামের ভূমিকা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধের নানা অধ্যায় মিশে আছে পাহাড়সমুদ্র ঘেরা এই চট্টগ্রামে। ভাষা আন্দোলন থেকে ঐতিহাসিক ছয় দফা, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান থেকে সশস্ত্র প্রতিরোধে চট্টগ্রাম ছিল সবসময় মুখর। বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের বিপ্লবীরাই ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে শাসকগোষ্ঠীর ভিত কাঁপিয়েছিলো। বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁদের সাহসী ভূমিকা ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামকে প্রবলভাবে শাণিত করে এবং মানুষের মধ্যে জাগ্রত করে সংগ্রামী চেতনা।

চুয়েটে সিভিল এন্ড ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেকাট্রনিক্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিভাগ দুটি ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে পানি সম্পদ রক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি, রোবোটিক্স, ন্যানোটেকনোলজিসহ নতুন নতুন গবেষণায় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

সমাবর্তন বক্তা সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, ১৯৭০ এর দশকে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে মধ্যম ঝুঁকির অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি জাতীয় বিল্ডিং কোড হালনাগাদ করার সময় নতুন তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে উচ্চ ঝুঁকির অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে এই অঞ্চলে ইমারত, সেতু বা অন্য স্থাপনার নকশা ও নির্মাণকে ভূমিকম্প সহনীয় করার লক্ষ্যে তুলনামূলকভাবে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন।

অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী আরো বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সকল দেশকে যে ১৭টি লক্ষ্য অর্জন করতে হবে সেখানে পেশাজীবীদের মধ্যে প্রকৌশলীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় তিনি সমাবর্তনে যারা আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রী লাভ করছেন তারা এই সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নানাক্ষেত্রে চুয়েটের স্নাতকদের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রক্রিয়া সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং বিশ্বের অনেকের কাছেই উন্নয়নের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আর এই ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির পেছনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন যেসব তরুণ প্রকৌশলীরা তাদের অনেকেই চুয়েটের স্নাতক।

গত এক দশকে বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী আরো বলেন, অত্যন্ত অল্প সময়েই এ দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটিতে পৌঁছেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৫ কোটিতে। প্রায় সব কটি বড় নদীর ওপরই সেতু নির্মিত হয়েছে বা বর্তমানে নির্মাণাধীন আছে। গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে জ্ঞান নিয়ে যাচ্ছবিশেষ করে নতুন জ্ঞান আহরণের যে পদ্ধতি ও স্পৃহা তোমাদের মধ্যে জাগ্রত করতে তোমাদের শিক্ষকরা সক্ষম হয়েছেনতা হবে তোমাদের আগামী চার পাঁচ দশকের পথ চলার পাথেয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, শিক্ষা হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট সামাজিক বিনিয়োগ যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এই লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের শিক্ষার মান যত উন্নত হবে আমাদের অর্থনীতিও ততোটাই প্রতিযোগিতা সক্ষম ও ঝুঁকিমুক্ত হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার আয়োজন কেবল কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নয়, এটি কোন সামাজিক বিলাসও নয়, বরং এটি একটি অস্তিত্ব রক্ষার হাতিয়ার। শিক্ষার সকলক্ষেত্রে উচ্চমান নিশ্চিত করা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।

তিনি আরো বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ভিশন২০২১ প্রণয়ন করেছে, যার মূল সুর হলো, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের বর্তমান সমস্যাগুলোর মোকাবেলা করা। শিক্ষা এ লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাহন হবে, তা বলাই বাহুল্য। এক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার সবিশেষ গুরুত্ব্ব রয়েছে। এই শিক্ষার যথযাথ উন্নয়ন, তার বিকাশ ও ব্যবহার বদলে দিতে পারে সামজের সার্বিক চিত্র ।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিরলস পরিশ্রম ও সাধনার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে তোমাদের সাফল্যের স্বীকৃতিই হচ্ছে সমাবর্তনের মাধ্যমে ডিগ্রির সনদপত্র প্রদান। বাস্তব জীবনে তোমাদের সফলতা কামনা করি। তিনি আরো বলেন, সেশনজটমুক্ত, অস্থিরতামুক্ত একটি সুস্থ সুখী পরিবার হিসেবে চুয়েট এগিয়ে যাচ্ছে। চুয়েটের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, আমাদের সামনে রয়েছে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ। দেশের নাগরিকদের, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আজকের সনদপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা ইতিবাচক ভূমিকা এবং ২০৪১ সালে দেশকে একটি সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত করার প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে সচেষ্ট হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

সমাবর্তনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল, চুয়েটের পুরকৌশল অনুষদের ডিন ড. মো. হজরত আলী, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. আশুতোষ সাহা, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. মো. মাহবুবুল আলম, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন ড. মোস্তাফা কামাল ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) . ফারুকউজজামান চৌধুরী।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এবারের সমাবর্তনে স্নাতকে ১ হাজার ৫৬৪ জন, মাস্টার্সে ৩২ জন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা চারজন এবং পিএইচডি’তে তিনজনকে ডিগ্রি দিয়েছে চুয়েট। এর মধ্যে গোল্ড মেডেল পেয়েছেন চারজন। সমাবর্তনে এবারই প্রথম পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগ থেকে প্রকৌশল ডিগ্রি দেয়া হয়েছে।

পোস্টটি ফেসবুক এ শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ দিন। আপনার প্রয়োজনীয় সব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে প্রয়োজন২৪.কম পেইজ এ লাইক দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকুন।

Share Button